বিশেষায়িত কলোরেক্টাল চিকিৎসা সেবা

প্রতিটি রোগের ধরন, লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন — সঠিক তথ্যই সঠিক সিদ্ধান্তের প্রথম ধাপ।

সেবা ০১

পাইলস (অর্শ)

ব্যথাহীন পদ্ধতিতে পাইলসের আধুনিক ও স্থায়ী সমাধান।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • মলত্যাগে রক্তপাত
  • মাংসপিণ্ড বের হওয়া
  • চুলকানি ও জ্বালা
  • ব্যথা ও অস্বস্তি
সেবা ০২

ফিস্টুলা

জটিল ফিস্টুলার নিখুঁত নির্ণয় ও সিটন/লেজার সার্জারি।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • পুঁজ বা রস নিঃসরণ
  • বারবার ফোড়া হওয়া
  • মলদ্বারের পাশে ব্যথা
  • ত্বকে ছোট ছিদ্র

দীর্ঘস্থায়ী ফিশারের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ও যত্ন।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • মলত্যাগে তীব্র ব্যথা
  • টাটকা লাল রক্ত
  • জ্বালাপোড়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য

প্রাথমিক নির্ণয় থেকে সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • মলের সাথে রক্ত
  • মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন
  • ওজন কমে যাওয়া
  • রক্তস্বল্পতা ও দুর্বলতা

পেলভিক ফ্লোর সমস্যার বিশেষায়িত মূল্যায়ন ও চিকিৎসা।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • মলত্যাগে অসম্পূর্ণতা
  • মল ধরে রাখতে সমস্যা
  • মলদ্বার বের হয়ে আসা
  • তলপেটে চাপ

ব্যথাহীন, ন্যূনতম রক্তপাত এবং দ্রুত আরোগ্য — সর্বাধুনিক লেজার প্রযুক্তিতে পাইলস, ফিস্টুলা ও ফিশারের নিরাপদ চিকিৎসা, যেখানে রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • কম ব্যথা
  • ন্যূনতম রক্তপাত
  • ছোট বা কোনো কাটা দাগ নেই
  • দ্রুত আরোগ্য

ন্যূনতম কাটাছেঁড়ায় উন্নত ল্যাপারোস্কোপিক অপারেশন।

বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ লক্ষণ

  • ছোট ক্ষত, কম দাগ
  • কম ব্যথা
  • হাসপাতালে কম সময় থাকা
  • দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা

* হাসপাতালে থাকা ও আরোগ্যের সময় রোগীর অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। চূড়ান্ত পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয়।

প্রশ্ন ও উত্তর

চিকিৎসা নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

হ্যাঁ, লেজার চিকিৎসা নিরাপদ ও প্রমাণিত পদ্ধতি। এতে রক্তপাত ও ব্যথা কম হয় এবং অধিকাংশ রোগী খুব দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।

লেজার সার্জারির ক্ষেত্রে অধিকাংশ রোগী ১–৩ দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন। বড় সার্জারির ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে — পরীক্ষার পর সঠিক সময় জানানো হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলস ওষুধ, আঁশযুক্ত খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে বারবার রক্তপাত বা মাংসপিণ্ড বের হলে সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রয়োজন।

রক্তপাত পাইলস বা ফিশারের কারণে হতে পারে, আবার গুরুতর রোগের লক্ষণও হতে পারে। তাই দেরি না করে একজন কলোরেক্টাল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

পূর্বের প্রেসক্রিপশন, পরীক্ষার রিপোর্ট (যদি থাকে) এবং বর্তমানে সেবন করা ওষুধের তালিকা সাথে আনুন।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য যোগাযোগ করুন

  • এ এম জেড হসপিটাল লিমিটেড শনিবার, রবিবার, সোমবার ও বুধবারসন্ধ্যা ৭:৩০ টা – রাত ১০:০০ টা
  • ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শনিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবারবিকাল ৫:৩০ থেকে ৭ টা
সিরিয়াল নিন ফর্ম