পাইলস (অর্শ)
ব্যথাহীন পদ্ধতিতে পাইলসের আধুনিক ও স্থায়ী সমাধান।
বিস্তারিত পড়ুনসাধারণ লক্ষণ
- মলত্যাগে রক্তপাত
- মাংসপিণ্ড বের হওয়া
- চুলকানি ও জ্বালা
- ব্যথা ও অস্বস্তি
প্রতিটি রোগের ধরন, লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন — সঠিক তথ্যই সঠিক সিদ্ধান্তের প্রথম ধাপ।
ব্যথাহীন পদ্ধতিতে পাইলসের আধুনিক ও স্থায়ী সমাধান।
বিস্তারিত পড়ুনজটিল ফিস্টুলার নিখুঁত নির্ণয় ও সিটন/লেজার সার্জারি।
বিস্তারিত পড়ুনদীর্ঘস্থায়ী ফিশারের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ও যত্ন।
বিস্তারিত পড়ুনপ্রাথমিক নির্ণয় থেকে সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
বিস্তারিত পড়ুনপেলভিক ফ্লোর সমস্যার বিশেষায়িত মূল্যায়ন ও চিকিৎসা।
বিস্তারিত পড়ুনব্যথাহীন, ন্যূনতম রক্তপাত এবং দ্রুত আরোগ্য — সর্বাধুনিক লেজার প্রযুক্তিতে পাইলস, ফিস্টুলা ও ফিশারের নিরাপদ চিকিৎসা, যেখানে রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।
বিস্তারিত পড়ুনন্যূনতম কাটাছেঁড়ায় উন্নত ল্যাপারোস্কোপিক অপারেশন।
বিস্তারিত পড়ুন* হাসপাতালে থাকা ও আরোগ্যের সময় রোগীর অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। চূড়ান্ত পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয়।
হ্যাঁ, লেজার চিকিৎসা নিরাপদ ও প্রমাণিত পদ্ধতি। এতে রক্তপাত ও ব্যথা কম হয় এবং অধিকাংশ রোগী খুব দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।
লেজার সার্জারির ক্ষেত্রে অধিকাংশ রোগী ১–৩ দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন। বড় সার্জারির ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে — পরীক্ষার পর সঠিক সময় জানানো হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলস ওষুধ, আঁশযুক্ত খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে বারবার রক্তপাত বা মাংসপিণ্ড বের হলে সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রয়োজন।
রক্তপাত পাইলস বা ফিশারের কারণে হতে পারে, আবার গুরুতর রোগের লক্ষণও হতে পারে। তাই দেরি না করে একজন কলোরেক্টাল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
পূর্বের প্রেসক্রিপশন, পরীক্ষার রিপোর্ট (যদি থাকে) এবং বর্তমানে সেবন করা ওষুধের তালিকা সাথে আনুন।