হাসপাতালে থাকা০–১ দিন
স্বাভাবিক কাজে ফেরা২–৩ দিন
মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরের রক্তনালী ফুলে গিয়ে পাইলস হয়। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য, মলত্যাগে অতিরিক্ত চাপ, আঁশযুক্ত খাবারের অভাব ও দীর্ঘ সময় বসে থাকা এর প্রধান কারণ। প্রাথমিক পর্যায়ে ওষুধ ও জীবনযাপনের পরিবর্তনে উপশম সম্ভব; জটিল ক্ষেত্রে লেজার চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর।
সাধারণ লক্ষণ
- মলত্যাগে রক্তপাত
- মাংসপিণ্ড বের হওয়া
- চুলকানি ও জ্বালা
- ব্যথা ও অস্বস্তি
চিকিৎসা পদ্ধতি
- ১খাদ্যাভ্যাস ও ওষুধের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা
- ২লেজার হেমোরয়েডোপ্লাস্টি — কাটাছেঁড়া ছাড়া
- ৩প্রয়োজনে স্ট্যাপলার বা প্রচলিত সার্জারি
* হাসপাতালে থাকা ও আরোগ্যের সময় রোগীর অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। চূড়ান্ত পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয়।