হাসপাতালে থাকা০–৩ দিন
স্বাভাবিক কাজে ফেরা১–২ সপ্তাহ
পেলভিক ফ্লোরের মাংসপেশি দুর্বল বা অসমন্বিত হলে মলত্যাগে কষ্ট, মল ধরে রাখতে না পারা বা রেক্টাল প্রোল্যাপ্স দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে প্রসব-পরবর্তী ও বয়স্ক রোগীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। বিশেষায়িত মূল্যায়নের মাধ্যমে ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরিকল্পনা করা হয়।
সাধারণ লক্ষণ
- মলত্যাগে অসম্পূর্ণতা
- মল ধরে রাখতে সমস্যা
- মলদ্বার বের হয়ে আসা
- তলপেটে চাপ
চিকিৎসা পদ্ধতি
- ১বায়োফিডব্যাক ও পেলভিক ফ্লোর থেরাপি
- ২রেক্টাল প্রোল্যাপ্সের ল্যাপারোস্কোপিক রেক্টোপেক্সি
- ৩খাদ্য ও জীবনযাপনের পরামর্শ
* হাসপাতালে থাকা ও আরোগ্যের সময় রোগীর অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। চূড়ান্ত পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয়।