চিকিৎসা সেবা

ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি

ন্যূনতম কাটাছেঁড়ায় উন্নত ল্যাপারোস্কোপিক অপারেশন।

হাসপাতালে থাকা২–৫ দিন
স্বাভাবিক কাজে ফেরা২–৩ সপ্তাহ

ল্যাপারোস্কোপিক (কি-হোল) পদ্ধতিতে পেটে ছোট কয়েকটি ছিদ্র করে কোলন ও রেক্টামের জটিল অপারেশন সম্ভব। এতে ব্যথা কম হয়, ক্ষত ছোট থাকে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

সাধারণ লক্ষণ

  • ছোট ক্ষত, কম দাগ
  • কম ব্যথা
  • হাসপাতালে কম সময় থাকা
  • দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা

চিকিৎসা পদ্ধতি

  1. ১কোলন ও রেক্টামের ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি
  2. ২ল্যাপারোস্কোপিক ক্যান্সার রিসেকশন
  3. ৩ল্যাপারোস্কোপিক রেক্টোপেক্সি

* হাসপাতালে থাকা ও আরোগ্যের সময় রোগীর অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। চূড়ান্ত পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয়।

সিরিয়াল নিন ফর্ম