হাসপাতালে থাকা৫–৭ দিন
স্বাভাবিক কাজে ফেরা৩–৪ সপ্তাহ
বৃহদন্ত্র ও মলাশয়ের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে সম্পূর্ণ নিরাময়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি। মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন বা রক্তপাতকে কখনো শুধু পাইলস ভেবে অবহেলা করা উচিত নয়। কোলনোস্কোপি থেকে শুরু করে সার্জারি ও পরবর্তী ফলোআপ — সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা করা হয়।
সাধারণ লক্ষণ
- মলের সাথে রক্ত
- মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন
- ওজন কমে যাওয়া
- রক্তস্বল্পতা ও দুর্বলতা
চিকিৎসা পদ্ধতি
- ১কোলনোস্কোপি ও বায়োপসির মাধ্যমে নির্ণয়
- ২ল্যাপারোস্কোপিক ক্যান্সার সার্জারি
- ৩অনকোলজি টিমের সাথে সমন্বিত চিকিৎসা
* হাসপাতালে থাকা ও আরোগ্যের সময় রোগীর অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। চূড়ান্ত পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয়।